Information

কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয় ? ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন

কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়? জেনে নিন খুব সহজেই। আর এজন্য আমাদের আজকের প্রবন্ধটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়? জেনে নিন খুব সহজেই। আর এজন্য আমাদের আজকের প্রবন্ধটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়?

কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়?: দৈনন্দিন জীবনে আমরা সকলেই যানবাহনে চলাচল করে থাকি। হয়তো বা কেউ নিজে চালিয়ে অথবা কোন পরিবহনে। কিন্তু প্রত্যেকেই আমরা যানবাহনের সাথে যুক্ত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা মতে এ সকল যানবাহন যারা পরিচালনা করেন।

অর্থাৎ চালক হিসেবে থাকেন। তাদের প্রত্যেকেরই ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন আছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া একজন চালক দ্রুতগতিতে অথবা সরকারি কোনো দ্রুতগামী রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন না। আর যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই চলাচল করে থাকেন। তবে সেই ব্যক্তি আইনের আওতায় এসে শাস্তিযোগ্য অপরাধে বর্ণিত হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরম

আর এই জন্যই আজকে আমরা আপনাদের জানাবো। কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করতে হয়। অনেকেই অনেক জায়গায় বা অনেক স্থানে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করতে গিয়েছেন। কিন্তু অনেকে অতিরিক্ত অনেক সময় অতিবাহিত করেছেন। কিন্তু আপনার কাঙ্খিত ড্রাইভিং লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি। আজকে আমাদের প্রবন্ধে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে অতি সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়। এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন পড়তে পারে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরম

চলুন শুরুতেই পূর্ববর্তী কিছু বিষয় সম্পর্কে পরিচিত হয়ে নেয়া যাক।

ড্রাইভিং লাইসেন্স আসলে কি? গাড়ি চালাতে হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রয়োজন কেন?

ড্রাইভিং লাইসেন্স আসলে কি? গাড়ি চালাতে হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রয়োজন কেন?: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রাস্তায় চলাফেরা করি। অনেকেই জানেন না, ড্রাইভিং লাইসেন্সটি কি? একজন পরিবহন শ্রমিকের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এত অপরিহার্য কেন?

রাস্তায় চলাফেরা কালে অনেক সময় যে কোন পুলিশ অথবা ট্রাফিক পুলিশ আপনাকে গাড়ি দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারে। আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা। এটা জিজ্ঞাসা করার একমাত্র কারণ হলো আপনি যে গাড়িটির পরিচালনা করছেন। অর্থাৎ চালাচ্ছেন সেই গাড়িটি চালাতে আপনি দক্ষ কিনা। ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি ব্যক্তির গাড়ি পরিচালনা অর্থাৎ গাড়ি চালানোর দক্ষতাকে প্রমাণ করে।

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায় কিভাবে? ২০২২ সালে YOUTUBE থেকে টাকা আয় করার নিয়ম জেনে নিন

এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আপনাকে যায় যে ড্রাইভিং লাইসেন্সটি প্রদান করা হবে। সেটি আপনার অনুমতি পত্র হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এবং সেটি আপনার পরিচয় বহন করে। এছাড়াও দুর্ভাগ্যবশত আপনি যদি কোন সড়ক দুর্ঘটনার পতিত হন তখন এই ড্রাইভিং লাইসেন্সটি আপনাকে আপনার পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। আর তাই একজন গাড়িচালকের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সটি নিজের সাথে রাখা অতি জরুরী।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কি কি শর্ত মানতে হবে?

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কি কি শর্ত মানতে হবে?: একজন ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে। তবে এ সকল শর্ত যদি কেউ মানতে না চায় তবে সেই ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

শর্তগুলোর নিচে উল্লেখ করা হলো:-

  1. লার্নার বা শিক্ষানবিশ: লার্নার বা শিক্ষানবিশ হলো একটি আবেদন পত্র। অর্থাৎ একজন ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে সর্বপ্রথম লার্নার বা শিক্ষানবিশ আবেদন করতে হবে।
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা মতে যে ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান। তাকে নূন্যতম অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে।
  3. ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নূন্যতম বয়স: সাধারণত কেউ যদি অপেশাদার অর্থাৎ নিজে গাড়ি পরিচালনা করার জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চান। তবে তাকে আঠারো বছরের উর্ধ্বে হতে হবে। অন্যদিকে যদি কেউ পেশাদারিত্ব ভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চান। তবে সেই ব্যক্তিকে ২১ বছরের উর্ধ্বে হতে হবে।
  4. শারীরিক অবস্থা: উপরে উক্ত নির্দেশনার শেষাংশে একজন ব্যক্তিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে। অত্যাবশ্যকীয় ভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার?

মূলত ড্রাইভিং লাইসেন্স কে তিনটি প্রকারে ভেদ করা হয়। যথা:

  • লার্নার শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি সমূহ ,বাণী সমূহ

বাংলাদেশ সরকার কর্তক এই তিন ধরনের লাইসেন্স আমাদের দেশে প্রচলিত রয়েছে। লার্নার বা শিক্ষানবির ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত। একজন সাধারণ ব্যক্তি নিজের গাড়ি নিজে পরিচালনা করার জন্য নিতে পারেন। এবং আবেদন করতে পারেন। অন্যদিকে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত একজন পেশাদারিত্ব মূলক ড্রাইভিং লাইসেন্স।

যে কোন ব্যক্তি যদি পেশাদারিত্ব হবে ড্রাইভিং করতে চায়। বা এটি একটি কর্ম ক্ষেত্রে পরিণত করতে চাই। তবে সেই ব্যক্তি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। এবং সেটি পেতে পারেন। এবং তারপরে আসে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স: আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সটি সরাসরি বিআরটিএ ভবন হতে প্রদান করা হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন কিভাবে করতে হয়?

যেকোনো ব্যক্তি যদি দেশ হতে দেশের বাইরে কোন কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকেন। বা দেশের বাইরে অবস্থান করে থাকেন। তবে এই লাইসেন্সের মাধ্যমে তিনি দেশের বাইরেও যেকোনো গাড়ি পরিচালনা করতে পারবেন। যার জন্য এটিকে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স হিসেবে অভিহিত করা হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন কিভাবে করতে হয়?

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বিশেষ কিছু তথ্য:

পূর্বে আপনারা জেনেছেন, পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত যে সকল ব্যক্তি ড্রাইভিং কে পেশাদারিত্ব হিসেবে নিতে চায় তারাই করতে পারে। সাধারণত ড্রাইভিং লাইসেন্স ১৮ বছর উপরে যে কেউ করতে পারলেও। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে একজন ব্যক্তিকে প্রত্যাবর্ষকীয় ভাবে ২০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে হতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কোন ব্যক্তি কোন ভারী যানবাহন পরিচালনা বা চালাতে পারবেন না। এমনকি কোন চাকরির ক্ষেত্রেও আপনি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া করতে পারবেন না। যার জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স অনেকেরই প্রয়োজন হয়।

  • প্রকারভেদ: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে।
    যেমন:
  1. পেশাদার হালকা
  2. পেশাদার মধ্যম
  3. পেশাদার ভারি

এ তিন ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত পেশাদারিত্ব ড্রাইভিং লাইসেন্স হিসেবে গণ্য করা হয়।

এবার জেনে নেওয়া যাক এই তিন ধরনের লাইসেন্স গুলো কি এবং কিভাবে কাজ করে।

১) পেশাদার হালকা: পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্স টি যে ব্যক্তি করে নিবেন। সে ব্যক্তি ২৫০০ কেজি এর নিচের যানবাহনগুলো পরিচালনা করতে পারবেন। অর্থাৎ চালাতে পারবেন। এ ড্রাইভিং লাইসেন্স টি পেতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই ২০ বছর বা ততূর্ধ হতে হবে।
২) পেশাদার মধ্যম: পেশাদার মধ্যম ড্রাইভিং লাইসেন্সটি করতে পারলে। একজন ব্যক্তি ২৫০০ কেজি থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৫০০ কেজি পর্যন্ত। যানবাহন বা কোন গাড়ি পেশাদারভাবে পরিচালনা করতে পারবেন বা চালাতে পারবেন। এরই সাথে এই লাইসেন্স টি পেতে হলে একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে তিন বছরের ঊর্ধ্বে অভিজ্ঞ হতে হবে। এবং তার বয়স ২৩ বছর বা অতিরিক্ত হতে হবে।
৩) পেশাদার ভারী: এই লাইসেন্স ব্যবহারকারী ৬৫০০ কেজি থেকে ততূর্ধ ওজনধারী যানবাহন পরিচালনার অনুমতি পাবেন। এবং এর সাথে এ লাইসেন্স টি পেতে হলে। একজন ব্যক্তিকে ২৬ বছর বা চতুর্থ হতে হবে। এবং সেই সাথে সর্বমোট ছয় বছরের ঊর্ধ্বে পেশাদার ড্রাইভিং এর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা খরচ হয়?

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা খরচ হয়?: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার একজন ব্যক্তির জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যে টাকা খরচ হয় তা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তক নির্ধারিত খরচের তালিকাটি আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি:-

তো চলুন শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক লার্নার বা শিক্ষানবির ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য মোট কত টাকা খরচ হবে:-

লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ

শুধুমাত্র এক ধরনের যানবাহন বা একটি গাড়ি অর্থাৎ মোটরসাইকেলের জন্য। এ ধরনের লাইসেন্স করতে হলে ৩৪৫ টাকা জমা দিতে হবে।
গাড়ি এবং মোটরসাইকেল দুইটি যানবাহন একসাথে পরিচালনার ক্ষেত্রে। এ ধরনের লাইসেন্স পেতে হলে একজন ব্যক্তিকে ৫১৮ টাকা জমা দিতে হবে।

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য খরচ:
পেশাদারী ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ১৬৭৯ টাকা জমা দিতে হবে। এবং তার সাথে পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন ফি প্রদান করতে হবে।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলে একজন ব্যক্তিকে ২৫৪২ টাকা জমা দিতে হবে। এবং তার সাথে ১০ বছরের জন্য নবায়ন ফি প্রদান করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে খরচ

কেউ যদি ১২ কর্ম দিবসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চাই। তবে তাকে ২৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।
কেউ যদি পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চায়। তবে তাকে ৩৫০০ টাকা জমা দিতে হবে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করব কিভাবে?

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করব কিভাবে?: অনেকেই জানেন না ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি নির্দিষ্ট সময় পর নবায়ন করে নিতে হয়। আপনি যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন না করে নেন। তবে সেটি বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেকটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যে সময় পর্যন্ত আপনি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এবং সময় অতিবাহিত হলেই সেটি পুনরায় নবায়ন করে নিতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করব কিভাবে?

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত সময় কত দিন?

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত সময় কত দিন?: একজন সাধারণ স্মার্ট কার্ড পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। এবং অন্যদিকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে মেয়াদ থাকে ১০ বছর। এ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একজন লাইসেন্সধারী ব্যক্তিকে তার লাইসেন্স নবায়ন করে নিতে হয়। ‌নিচের অংশে লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এবং এ সকল কর্মকান্ডের জন্য কি কি করতে হবে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন পদ্ধতি। service.nidw.gov.bd

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন?

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য বেশ কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে নিচে সে সকল কাগজপত্রের বিবরণ তুলে ধরা হলো:

  • ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ণকৃত ফরম
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট (রেজিস্টারকৃত ডাক্তার কর্তক)
  • জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ বা আপনার যদি পাসপোর্ট থাকে তার সত্যায়িত ফটোকপি।
  • শব্দ তোলা হয়েছে এমন এক কপি পাসপোর্ট ও এক কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি।

ড্রাইভিং নবায়ন করার জন্য নির্ধারিত খরচ কত টাকা?

ড্রাইভিং নবায়ন করার জন্য নির্ধারিত খরচ কত টাকা?: ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত খরচ রয়েছে। তার বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

ড্রাইভিং নবায়ন করার জন্য নির্ধারিত খরচ কত টাকা?

অপেশাদার ব্যক্তিদের লাইসেন্সের জন্য:
১) কেউ যদি লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবার ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করেন। তবে তার জন্য ২৪২৭ টাকা জমা দিতে হবে।
২) অন্যদিকে কেউ যদি লাইসেন্সের মেয়াদ ১৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরে আবেদন করেন। তবে প্রতিবছরের জন্য অতিরিক্ত ২৩০ টাকা জরিমানা সহ জমা দিতে হবে।

পেশাদার লাইসেন্সারের জন্য:
১) এ ধরনের লাইসেন্স নবায়নের জন্য কেউ যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করেন। তবে তাকে ১৫৬৫ টাকা জমা দিতে হবে।
২) অন্যদিকে কেউ যদি ১৫ দিন অতিবাহিত হবার পরে আবেদন করেন। তবে তাকে পূর্বের ন্যায় প্রতিবছর ২৩০ টাকা জরিমানা সহ জমা দিতে হবে।

আরও দেখুন

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার নিয়মাবলী

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার নিয়মাবলী:- আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন বা রিনিউ করতে হলে। বিশেষ কিছু নিয়মের মধ্যে আপনার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আপনি যদি আমাদের নিচে উল্লেখিত নিয়ম গুলো অনুসরণ করে থাকেন। তবে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি অতি সহজে নবায়ন করা সম্ভব।

তো চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবান করতে হলে আপনাকে কি কি নিয়মের মধ্যে কার্য সম্পাদন করতে হবে:-

১) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ধারী ব্যক্তির জন্য পুনরায় আরও একটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে অবশেষে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যক্তিত্বের জন্য এরই প্রযোজ্য নয়।
২) ড্রাইভিং লাইসেন্স নগণের ফরমটি পূরণ করুন।
৩) প্রয়োজনের সকল কাগজপত্র ফর্মের সাথে সংযুক্ত করুন।
৪) আপনার অঞ্চলের ভবনে আপনার আবেদন ফরম সহ প্রয়োজনে সকল কাজ পত্র জমা দিন।
৫) কাগজপত্র প্রদানের পরে আপনাকে বায়োমেট্রিক তথ্যটি প্রদান করতে হবে। বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রদান করতে হলে বিআরটিএ ভবনের নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে। আপনার ছবি এবং আঙ্গুলের ছাপ এবং তার সাথে স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। এবং তারপরে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট হওয়ার জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
৬) এবং সর্বশেষে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল কার্যক্রম শেষ হলে। আপনার মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং এরপরে আপনি বিআরটিএ ভবনে গিয়ে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি সংগ্রহ করতে পারেন।

এভাবেই আপনি আপনার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ড্রাইভিং লাইসেন্সটি সহজেই আপনার হাতে পেতে পারেন। আমাদের আজকে প্রবন্ধে আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কিত সকল তথ্য বিস্তারিত ভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আপনারা যদি এসম্পর্কে আরো কিছু জানতে চান। তবে আমাদের কাছে সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button